Complicated appendicitis (এপেন্ডিসাইটিস যখন জটিল হয়ে যায়)!
এপেন্ডিসাইটিস শিশুদের এমনকি বড়দেরও খুব কমন একটি সমস্যা। এপেন্ডিক্স খাদ্যনালী র একটি অংশ, এতে যখন ইনফেকশন হয় তখন তাকে এপেন্ডিসাইটিস বলা হয়। বিভিন্ন কারনে এই ইনফেকশন হতে পারে।
শুরুতে এই ইনফেকশন শুধু এপেন্ডিক্স এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তখন এর চিকিৎসা ও অপারেশন খুব সহজ হয়। সাধারণত এক দিনের মধ্যেই রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি যেতে পারে।
কিন্তু যখন এই ইনফেকশন এপেন্ডিক্স এর বাইরে ছড়িয়ে পড়ে, এপেন্ডিক্স ছিদ্র হয়ে যায়, এর চারপাশে চাকা হয়ে যায় এবং পেটের ভিতর পুজ জমে যায় তখন একে কম্পলিকেটেড এপেন্ডিসাইটিস বলা হয়।
কেন হয়?
শুরুতে রোগ নির্নয় করা না গেলে বা সার্জারি না করা হলে। যেহেতু শিশুরা তাদের কষ্টের কথা ভালো করে বোঝাতে পারে না, বাবা মা তাই শুরুতে বুঝতে পারেন না যে সমস্যা কতটা তীব্র। অনেক সময় বাবা মা বিশ্বাস করতে চান না, বা অপারেশন করতে চান না তখন ২/৩ দিনের মধ্যেই এপেন্ডিসাইটিস কম্পলিকেটেড হয়ে যায়।
কিভাবে বোঝা যায়?
শিশুর পেটের ব্যাথা তীব্রতর হবে, জ্বর আসবে, পাতলা পায়খানা হতে পারে। শিশু অস্থির থাকবে। পেটের ডান পাশে চাকা হয়ে যাবে। শিশু পেটে হাত দিতে দিবে না।
রক্ত পরীক্ষা করলে লিউকোসাইট এর সংখ্যা অনেক বেশি পাওয়া যাবে। আল্ট্রাসনোগ্রাম করলে অনেক সময় পেটের ডান পাশে পুজ বা চাকা দেখা যেতে পারে, তবে অনেক সময় ই আল্ট্রাসনোগ্রাম এ কিছু বোঝা যায় না।
চিকিৎসা কি?
জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করতে হয়। পেটের ভিতর এর পুজ পরিষ্কার করে এপেন্ডিক্স কেটে ফেলে দিতে হয়। এরপর লম্বা সময় এন্টিবায়োটিক দিতে হয়। অনেক সময় বেশি জটিল হলে খাদ্যনালীর কিছু অংশ কেটে ফেলে দিতে হয়।
অপারেশন এর জটিলতা কি?
এপেন্ডিসাইটিস কম্পলিকেটেড হলে অপারেশন অনেক জটিল হয়। অপারেশন এর সময় খাদ্যনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। অপারেশন এর পর অপারেশন এর জায়গায় ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি, অনেক ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় অপারেশন লাগে। বেশি জটিল হলে শিশুর জীবন সংশয় হতে পারে।